গুরুগ্রামে মহিলা ও ৪ শিশুর দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
গুরুগ্রাম, ৩ মে (হি.স.): হরিয়ানার গুরুগ্রামে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে প্রাণে মেরে ফেলল এক ব্যক্তি। পরে সে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে। গুরুগ্রামের ওয়াজিরপুর গ্রামের ঘটনা। উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের বাসিন্দা নাজিম হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায
গুরুগ্রামে মহিলা ও ৪ শিশুর দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ


গুরুগ্রাম, ৩ মে (হি.স.): হরিয়ানার গুরুগ্রামে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে প্রাণে মেরে ফেলল এক ব্যক্তি। পরে সে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে। গুরুগ্রামের ওয়াজিরপুর গ্রামের ঘটনা। উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের বাসিন্দা নাজিম হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে। শনিবার রাতে ওয়াজিরপুর গ্রামের বাড়ি থেকে এক মহিলা ও তাঁর ৪ সন্তানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাজিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নাজিমের ভাই জিশান পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দোতলার ভাড়া ফ্ল্যাটে পৌঁছলে শনিবার রাত ৯টা নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। জিশান দেখতে পান তাঁর বৌদি, ৩৫ বছর বয়সী নাজমা এবং শিশুরা মেঝেতে নিথর অবস্থায় পড়ে আছে এবং শিশুদের মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছে। কাছেই হাতের কব্জি কাটা অবস্থায় নাজিমকে অচেতন অবস্থায় যন্ত্রণায় ছটফট করতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশুদের পরিচয় জানা গেছে: ১২ বছর বয়সী ইকরা, আট বছর বয়সী শিফা, আট বছর বয়সী আরাম এবং ছয় বছর বয়সী খাতিজা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।

স্ত্রী ও সন্তানদের বিষপ্রয়োগের পর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা প্রসঙ্গে গুরুগ্রাম পুলিশের এসিপি নবীন শর্মা বলেন, পাঁচজন মারা গেছেন — একজন মহিলা এবং তাঁর চার সন্তান, তিন মেয়ে ও এক ছেলে। এটি বিষপ্রয়োগ নাকি শ্বাসরোধ, তা তদন্তের পর স্পষ্ট হবে। স্বামীর হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা এই ঘটনায় তাঁর জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয় এবং তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তথ্যে পারিবারিক সমস্যার দিকেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারটি মূলত উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা হলেও গত নয় বছর ধরে গুরুগ্রামে বসবাস করছিল। কেবল স্বামী নাজিব বেঁচে গেছে, আর তাঁর স্ত্রী ও চার সন্তান মারা গেছেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, এর কারণ পারিবারিক সমস্যা বলেই মনে হচ্ছে, তবে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande