৯০ মেট্রিক টন এলপিজি তছরুপের মামলায় প্ল্যান্ট ম্যানেজার গ্রেফতার, মূল অভিযুক্ত পলাতক
রায়পুর, ৩ মে (হি.স.): ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলায় প্রায় ১.৫ কোটি টাকার এলপিজি তছরুপের ঘটনায় ঠাকুর পেট্রোকেমিক্যালসের প্ল্যান্ট ম্যানেজার নিখিল বৈষ্ণব (৪১)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্তে ৪০ সদস্যের বিশেষ দল গঠন করে
৯০ মেট্রিক টন এলপিজি তছরুপের মামলায় প্ল্যান্ট ম্যানেজার গ্রেফতার, মূল অভিযুক্ত পলাতক


রায়পুর, ৩ মে (হি.স.): ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলায় প্রায় ১.৫ কোটি টাকার এলপিজি তছরুপের ঘটনায় ঠাকুর পেট্রোকেমিক্যালসের প্ল্যান্ট ম্যানেজার নিখিল বৈষ্ণব (৪১)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্তে ৪০ সদস্যের বিশেষ দল গঠন করে পুরো চক্রের হদিস মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার মালিক সন্তোষ সিং ঠাকুর এবং ডিরেক্টর সার্থক (সাকিন) ঠাকুর এখনও পলাতক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সংস্থার দফতর থেকে ডিভিআর, কম্পিউটার এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যেগুলি থেকে বেআইনি বিক্রির প্রমাণ মিলেছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বেআইনি রিফিলিংয়ের অভিযোগে ৬টি এলপিজি ক্যাপসুল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে নিরাপত্তার কারণে ৩০ মার্চ ২০২৬-এ ওই ট্যাঙ্কারগুলি অভনপুরের ঠাকুর পেট্রোকেমিক্যালসের হেফাজতে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল ট্যাঙ্কার মালিক আদালতের নির্দেশে গাড়ি ফেরত নিতে গেলে দেখা যায় সব ট্যাঙ্কারই ফাঁকা।

পুলিশের দাবি, ৩১ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিলের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে প্রায় ৯০ মেট্রিক টন এলপিজি গ্যাস ট্যাঙ্কার থেকে বের করে সংস্থার নিজস্ব স্টোরেজ ট্যাঙ্কে রাখা হয় এবং সেখান থেকে তা ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে ভরে বেশি দামে বাজারে বিক্রি করা হয়। অভিযুক্তরা প্রথমে গ্যাস লিক হওয়ার দাবি করলেও তদন্তে তা খারিজ হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত আস্থাভঙ্গ ও তছরুপের ঘটনা। চার দিনের তদন্তে নথি ও আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে গোটা চক্রের প্রমাণ মিলেছে। গ্রেফতার অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক দুই অভিযুক্তের খোঁজে অভিযান জারি রয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande