
শিলং, ৩১ মে (হি.স.) : দেশ গঠনের বিভিন্ন উদ্যোগে যুবসমাজের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া। তিনি বলেন, ‘মাই ভারত’-এর কার্যক্রম দেশের প্রতিটি জেলা, প্রতিটি ব্লক এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট শিলং’-এ আয়োজিত দু-দিনব্যাপী ‘চিন্তন শিবির’-এর প্রথম দিনে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মান্ডভিয়া বলেন, ইতিমধ্যেই ২.১৭ কোটির বেশি যুব স্বেচ্ছাসেবীকে যুক্ত করে একটি গণ-আন্দোলনের রূপ নিয়েছে ‘মাই ভারত’। উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে আরও বেশি যুব অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছাতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
আলোচনাসভায় যুব বিষয়ক দফতর, ‘মাই ভারত’ এবং ‘ন্যাশনাল সর্ভিস স্কিম’ (এনএসএস)-এর বিভিন্ন পদমর্যাদার আধিকারিররা অংশগ্রহণ করেছেন। যুবসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, কর্মসূচির কার্যকারিতা উন্নত করা এবং সরকারের যুব-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়ন নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেলা যুব আধিকারিক এবং এনএসএস আধিকারিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, যুব উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সাফল্য কেবল অংশগ্রহণের সংখ্যায় নয়, সমাজে তার বাস্তব প্রভাব ও ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। ২৬ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততারও আহ্বান জানান মনসুখ মান্ডভিয়া।
মনসুখ মান্ডভিয়া ঘোষণা করেছেন, ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশের ১৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের ৭৮৩টি জেলার প্রতিটিতে ‘মাই ভারত’-এর কেন্দ্র স্থাপনে মন্ত্রক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে দিনের শুরুতে শিলঙে ‘মাই ভারত’-এর স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে রডোডেনড্রন ট্রেকে অংশ নেন তিনি। ট্রেক চলাকালে তিনি তরুণদের সক্রিয় জীবনযাপন, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
মেঘালয়ের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল যুবসমাজের মধ্যে শারীরিক সক্ষমতা, সাহসিকতা ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং একই সঙ্গে সরকারি উদ্যোগগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী করা।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস