অভিষেকের ফেরার আপ্তসহায়কের খোঁজে শ্বশুরবাড়ি সহ একাধিক আস্তানায় পুলিশের তল্লাশি
কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যনির্বাহী আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে শনিবার একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাল পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার আবাসন, হুগলি জেলার বাড়ি এবং শ্রীরামপ
অভিষেকের ফেরার আপ্তসহায়কের খোঁজে শ্বশুরবাড়ি সহ একাধিক আস্তানায় পুলিশের তল্লাশি


কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যনির্বাহী আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে শনিবার একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাল পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার আবাসন, হুগলি জেলার বাড়ি এবং শ্রীরামপুরে অবস্থিত তাঁর শ্বশুরবাড়িতে চিরুনি তল্লাশি চালালেও সুমিত রায়ের কোনো হদিস মেলেনি।

পুলিশ সূত্র মারফত জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত একটি জালিয়াতির মামলায় সুমিত রায় গত কয়েকদিন ধরে ফেরার রয়েছেন এবং তাঁর খোঁজেই এই অভিযান। তদন্তের খাতিরে পুলিশ সুমিতের মোবাইল ফোনের শেষ টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে জানতে পারে, সেটি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনের আশেপাশে সক্রিয় ছিল। সেই সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৩টে নাগাদ পুলিশের একটি দল কালীঘাটে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ ভেতর থেকে কোনো সাড়া না মেলায় সদর দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হয়, যদিও সেখানেও সুমিতের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকাল ৮টা নাগাদ পুলিশ সেখান থেকে চলে যায়।

কালীঘাটের পর পুলিশ হুগলি জেলার শ্রীরামপুরের বিবেকানন্দ সরণি এলাকায় সুমিত রায়ের শ্বশুরবাড়িতেও হানা দেয়। স্থানীয় সূত্রে পুলিশ জানতে পেরেছিল যে, সুমিত প্রায়শই সেখানে যাতায়াত করতেন। তবে সুমিতের শাশুড়ি দাবি করেছেন, গত দুই-তিন দিন ধরে তাঁর জামাই সেখানে আসেননি। আচমকা এই পুলিশি অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে পরিবারের গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং পুলিশের উচিত সঠিক পদ্ধতিতে তদন্ত করে তাঁকে খুঁজে বের করা।

পুলিশ সূত্রের দাবি, সম্প্রতি জমি দুর্নীতির একটি মামলায় পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু আর্থিক লেনদেনের সূত্র মেলে, যার সূত্র ধরেই সুমিত রায়ের নাম সামনে আসে। তবে ওই দুর্নীতিতে সুমিতের সরাসরি কী ভূমিকা ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, সুজয় হাজরার গ্রেফতারের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সুমিত রায়ের সন্ধান শুরু হয়েছে। গত দুই-তিন দিন ধরে তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল এবং মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। পুলিশের এই তল্লাশি অভিযান এখনও জারি রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande