খড়্গপুরে অত্যাধুনিক আধার সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন দিলীপ ঘোষ
কলকাতা, ১৫ জুন (হি.স.): পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে এক অত্যাধুনিক আধার সেবা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সোমবার আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক ও কালেক্টর বিজিন
দিলীপ ঘোষ


কলকাতা, ১৫ জুন (হি.স.): পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে এক অত্যাধুনিক আধার সেবা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সোমবার আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক ও কালেক্টর বিজিন কৃষ্ণা, পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা -সহ প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এছাড়াও কর্মসূচিতে যোগ দেন ইউআইডিএআই-র কলকাতা রাজ্য কার্যালয়ের অধিকর্তা শুভদীপ চৌধুরী।

জেলায় এই নতুন আধার সেবা কেন্দ্রের সূচনাকে পশ্চিম মেদিনীপুর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নাগরিক পরিষেবা আরও মজবুত করার দিশায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে আধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত পরিকাঠামোর সুবিধা রাখা হয়েছে, যার ফলে নতুন আধার নথিভুক্তিকরণ এবং তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক দ্রুত, স্বচ্ছ ও সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধাজনক হবে।

উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা (সল্টলেক), হাওড়া, পশ্চিম বর্ধমান (আসানসোল), নদীয়া (কৃষ্ণনগর), মুর্শিদাবাদ (বহরমপুর), মালদা, দার্জিলিং (শিলিগুড়ি) এবং কোচবিহার—এই আটটি জেলায় ইউআইডিএআই দ্বারা পরিচালিত আধার সেবা কেন্দ্র চালু ছিল।

এর পাশাপাশি, বিগত এক মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (সোনারপুর), হুগলি (চুঁচুড়া), পূর্ব বর্ধমান (বর্ধমান) এবং পুরুলিয়াতেও চারটি নতুন কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। আজ পশ্চিম মেদিনীপুরে এই কেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর রাজ্যে মোট আধার সেবা কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। ইউআইডিএআই-এর তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও পর্যায়ক্রমিক নিয়মে নতুন আধার সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

খড়্গপুরের ইঁদা এলাকায় ওটি রোডের ধারে, এলআইসি অফিসের কাছে কুসুম অ্যাপার্টমেন্টে এই নতুন আধার সেবা কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে। প্রবীণ নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গজন) এবং গর্ভবতী মহিলাদের যাতে কোনো রকম হয়রানির শিকার হতে না হয়, তার জন্য এই কেন্দ্রে পৃথক কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এই কেন্দ্রটি চালু হওয়ায় স্থানীয় স্তরে আধার আবেদনের ভুলত্রুটি ও তা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি, এখানে জন্ম শংসাপত্র বা বার্থ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ভিত্তিতে শিশুদের আধার নথিভুক্তিকরণের কাজও সহজে করা যাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande