কলকাতা পুলিশে বড় রদবদল, একাধিক থানার ওসি ও অতিরিক্ত ওসি বদল
কলকাতা, ১৫ জুন (হি.স.): প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে কলকাতা পুলিশে এক বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। শহরের একাধিক থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) এবং অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের (অতিরিক্ত ওসি) একযোগে বদলি করা হয়েছে। সোমবার কলকাতা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন
কলকাতা পুলিশ


কলকাতা, ১৫ জুন (হি.স.): প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে কলকাতা পুলিশে এক বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। শহরের একাধিক থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) এবং অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের (অতিরিক্ত ওসি) একযোগে বদলি করা হয়েছে। সোমবার কলকাতা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন শাখায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং মানবসম্পদের সঠিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে:

প্রগতি ময়দান থানার ওসি রামচন্দ্রন বিনোদ কুমারকে বিশেষ শাখায় বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় বড়বাজার থানার অতিরিক্ত ওসি বাবাই ভট্টাচার্যকে প্রগতি ময়দান থানার নতুন ওসি নিযুক্ত করা হয়েছে।

নারকেলডাঙা থানার ওসি মনোজ বিশ্বাসকেও বিশেষ শাখায় পাঠানো হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ওয়াটগঞ্জ থানার অতিরিক্ত ওসি শুভঙ্কর সরকার।

ঠাকুরপুকুর থানার ওসি রাজীব সাহুকে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আধিকারিক সুখেন্দু কুমার চেলকে নতুন ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজাবাগান থানার অতিরিক্ত ওসি সিলাস টোপ্পোকে তারাতলা থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) করা হয়েছে।

প্রগতি ময়দান থানার অতিরিক্ত ওসি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তীকে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় এসসিও শাখায় মোতায়েন সনৎ চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক আধিকারিককেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুশোভন পৈলকে রাজাবাগান থানার অতিরিক্ত ওসি করা হয়েছে। শ্রীমনকল্যাণ বসু ও ফাহাদ সোহেলকে যথাক্রমে ওয়াটগঞ্জ এবং নারকেলডাঙা থানায় অতিরিক্ত ওসি পদে মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নারকেলডাঙা থানার অতিরিক্ত ওসি বন্ধুচরণ পালকে বড়বাজার থানার অতিরিক্ত ওসি পদে বদলি করা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, উপলব্ধ জনবলের সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন ইউনিটের কাজের প্রয়োজনীয়তা দক্ষতার সঙ্গে পূরণ করতেই এই রুটিন বদলি করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিচুতলায় নজরদারি আরও জোরদার করা এবং বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে তোলা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande