
যোগের মতো হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার ঐতিহ্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে বিশ্বজুড়ে বিস্তার লাভ করেছে : মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব
আজ অসমের ২৩,৪৯৮টি গ্রামের ৩৭,৩৮৩টি স্থানে যোগানুষ্ঠানের আয়োজন
গুয়াহাটি, ২১ জুন (হি.স.) : সমগ্র রাজ্যের সঙ্গে আজ গুয়াহাটিতে অসম প্রদেশ বিজেপির সদর দফতর অটলবিহারী বাজপেয়ী ভবনেও দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। বিজেপির প্রদেশ সভাপতি তথা দরং-ওদালগুড়ি লোকসভা আসনের সাংসদ দিলীপ শইকিয়ার উপস্থিতিতে দলের শতাধিক কার্যকর্তা দিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রাজধানী মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিজেপি সভাপতি দিলীপ শইকীয়া আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রেরণায় যোগ আজ বিশ্বজুড়ে এক গণ-আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। যোগ শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, এটি শারীরিক, বৌদ্ধিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তিকে একত্রিত করার একটি মাধ্যম। তিনি বলেন, সম্মিলিত যোগাভ্যাস মনকে এক অপূর্ব সন্তুষ্টি ও পবিত্রতা এনে দেয়।
অন্যদিকে, গুয়াহাটির উজানবাজারে ব্রহ্মপুত্রের তীরে সতী রাধিকা উদ্যান-এ আয়োজিত দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সঙ্গে যোগাভ্যাস করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যোগাভ্যাস সকলের মনে শান্তি, শরীরে শক্তি এবং জীবনে ইতিবাচকতা নিয়ে আসে। হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার এই অমূল্য সাধনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হওয়া সত্যিই ভারতবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের ১২ বছরের যাত্রার এই বিশেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যোগ আজ একটি বিশ্বব্যাপী গণ-আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ একই সময়ে অসমের ২৩,৪৯৮টি গ্রামের ৩৭,৩৮৩টি স্থানে যোগ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৩২ লক্ষের বেশি সদস্যা সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে সুস্থ জীবনযাপন ও সম্প্রীতির এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন।
এছাড়া বিজেপির ৩৯টি সাংগঠনিক জেলার ৩৯৫টি মণ্ডল এবং দলের ৩০ হাজারের বেশি বুথে লক্ষ লক্ষ কার্যকর্তা যোগ দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানান দলের মুখপাত্র প্রাঞ্জল কলিতা।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস