শিলঙে সেনা সদস্যদের সঙ্গে যোগাভ্যাস প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিঙের
অসমের তেজপুরে সেনাদের সঙ্গে যোগচৰ্চা সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী শিলং, ২১ জুন (হি.স.) : মেঘালয়ের রাজধানী শিলঙে অবস্থিত ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের সদর দফতরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ এক হাজারের বেশি ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গ
শিলঙে ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের সদর দফতরে যোগাভ্যাস প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিঙের (চিত্র ১)


প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিঙের যোগাভ্যাস (চিত্র ২)


প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ ও মুখ্যমন্ত্রী সাংমার যোগাভ্যাস (চিত্র ৩)


অসমের তেজপুরে সেনাদের সঙ্গে যোগচৰ্চা সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী

শিলং, ২১ জুন (হি.স.) : মেঘালয়ের রাজধানী শিলঙে অবস্থিত ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের সদর দফতরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ এক হাজারের বেশি ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আজ হাই-অল্টিটিউড বৰ্ডার পোস্ট, মরুভূমি অঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রে অবস্থানরত নৌবাহিনীর সদস্যরা যোগ দিবস পালন করেছেন। এদিকে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অসমের তেজপুরে সেনাদের সঙ্গে যোগাভ্যাসে অংশ নিয়েছেন।

যোগ অনুষ্ঠানে শরীরচর্চা করেছেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমা, ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং, ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের এয়ার অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ এয়ার মার্শাল ইন্দরপাল সিং ওয়ালিয়া এবং সদর দফতর ১০১ এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহিত ওয়াধওয়া।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজনাথ সিং যোগকে একটি সামগ্রিক বিজ্ঞান এবং জীবনযাপনের পদ্ধতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যোগ মানুষকে নিজের সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই অনুশীলন মানসিক স্বচ্ছতা, আবেগগত দৃঢ়তা এবং অন্তর্গত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন, তাঁর উদ্যোগেই যোগ আজ একটি বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যোগ ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের শক্তির প্রতীক এবং সুস্থ শরীর ও মন গঠনের জন্য প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনে যোগাভ্যাস অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী এই উদযাপনে সামরিক কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী ও প্রতিকূল পরিবেশে যোগাভ্যাস করেন। সিয়াচেন হিমবাহ থেকে শুরু করে কচ্ছের রণ এবং উত্তরপূর্ব ভারতের দুর্গম এলাকাগুলিতেও যোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক সুস্থতা এবং সহনশীলতার প্রতি গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’ (যোগা ফর হেল্দি এইজিং) এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে সব বয়সের মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande