মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের নিরাপত্তা মূল্যায়ন কমিটি পুনর্গঠন, বাদ কেরলমের প্রতিনিধি
তিরুঅনন্তপুরম, ২১ জুন (হি.স.) : মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের সামগ্রিক নিরাপত্তা মূল্যায়নের জন্য গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে বড় পরিবর্তন আনল জাতীয় বাঁধ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এনডিএসএ)। কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে কেরলমের মনোনীত প্রতিনিধি টি. কে. শিবরাজনকে।
মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের নিরাপত্তা মূল্যায়ন কমিটি পুনর্গঠন, বাদ কেরলমের প্রতিনিধি


তিরুঅনন্তপুরম, ২১ জুন (হি.স.) : মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের সামগ্রিক নিরাপত্তা মূল্যায়নের জন্য গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে বড় পরিবর্তন আনল জাতীয় বাঁধ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এনডিএসএ)। কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে কেরলমের মনোনীত প্রতিনিধি টি. কে. শিবরাজনকে। তাঁর পরিবর্তে উত্তর প্রদেশের আইআইটি রুড়কির ভূমিকম্প ও বাঁধ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম. এল. শর্মাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার এনডিএসএ-র জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত কারণে শিবরাজন আর কমিটির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সেই কারণেই তাঁর পরিবর্তে নতুন সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। তবে কেরলমের প্রতিনিধির পরিবর্তে অন্য রাজ্যের বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেওয়ায় বিষয়টি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অধ্যাপক এম. এল. শর্মা বর্তমানে আইআইটি রুড়কির ভূমিকম্প প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর ড্যামস-এর প্রধান। বাঁধ নিরাপত্তা, পরিকাঠামোগত প্রকৌশল ও ভূমিকম্পজনিত ঝুঁকি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তিনি দেশের অন্যতম বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।

চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ড্যাম সেফটি অ্যাক্ট, ২০২১ অনুযায়ী শতাব্দীপ্রাচীন মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মূল্যায়নের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বাঁধের পরিকাঠামোগত স্থায়িত্ব, জলধারণ ক্ষমতা, বন্যা মোকাবিলার সক্ষমতা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা খতিয়ে দেখাই কমিটির মূল দায়িত্ব।

কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় জল কমিশনের প্রাক্তন আধিকারিক বলরাজ যোশী। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন গোপাল ধাওয়ান, গুলশন রাজ, এন. শিবকুমার এবং নবনিযুক্ত অধ্যাপক এম. এল. শর্মা।

এনডিএসএ জানিয়েছে, সদস্য পরিবর্তন ছাড়া ৬ জানুয়ারির নির্দেশিকার বাকি সব শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে। সংশোধিত নির্দেশের কপি কেরলমের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এবং তামিলনাড়ুর জলসম্পদ দফতরের সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা মুল্লাপেরিয়ার বাঁধ ইস্যুতে দুই রাজ্যের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকছে বলেও স্পষ্ট করেছে কর্তৃপক্ষ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande