অরুণাচলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ অতি ভারী বৃষ্টিপাত, পশ্চিম ও পূর্ব কামেং জেলায় জারি রেড অ্যালার্ট
ইটানগর, ২৭ জুন (হি.স.) : অরুণাচল প্রদেশে অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে ইটানগরের আবহাওয়া কেন্দ্র আজ ২৭ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনের জেলা-ভিত্তিক আবহাওয়া সতর্কতা জারি করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সময়কলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বজ
প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র (ফটো সৌজন্য এনইপিপি)


ইটানগর, ২৭ জুন (হি.স.) : অরুণাচল প্রদেশে অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে ইটানগরের আবহাওয়া কেন্দ্র আজ ২৭ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনের জেলা-ভিত্তিক আবহাওয়া সতর্কতা জারি করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সময়কলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইটানগরের আবহাওয়া কেন্দ্রের জারিকৃত বুলেটিনে এই পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছে, আগামীকাল ২৮ জুন আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পশ্চিম কামেং এবং পূর্ব কামেং জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এই দুই জেলায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, সতৰ্কবাৰ্তা আবহাওয়া দফতরের।

এছাড়া পাক্কে কেসাং, পাপুমপারে, লোয়ার সুবনশিরি এবং পশ্চিম সিয়াং জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ওই সব এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২৯ জুনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিম কামেং, পাপুমপারে, পূর্ব সিয়াং এবং লোয়ার দিবাং ভ্যালি জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট বহাল থাকবে। কারণ ওই অঞ্চলগুলিতে প্রবল বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি অব্যাহত থাকবে।

তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৩০ জুন থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে। অধিকাংশ জেলায় তখন ইয়েলো অ্যালার্ট জারি থাকবে, অর্থাৎ আবহাওয়া-জনিত ঝুঁকি তুলনামূলক কম হলেও সতর্কতা বজায় রাখতে হবে।

১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় বড় ধরনের কোনও সতর্কতা নেই। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা কিছু এলাকায় বজায় থাকবে।

বাসিন্দা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়মিত সরকারি আবহাওয়ার আপডেট পর্যবেক্ষণ করতে এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে ইটানগরের আবহাওয়া কেন্দ্র।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande