ধেমাজিতে বন্যার তোড়ে ভেসে গেছে ৩০০ মিটার দীর্ঘ লোহার সেতু, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ
ধেমাজি (অসম), ২৮ জুন (হি.স.) : ধেমাজি জেলার বুক চিরে প্রবাহিত কেমি নদীর প্রবল বন্যার স্রোতে কেমি-অয়ন সংযোকারী প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি লোহার সেতু ভেসে গেছে। এতে কেমি-পুরনো জেলম এলাকা এবং জোনাই সদরের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড
ধেমাজিতে কেমি নদীর প্রবল জলোচ্ছাস


ধেমাজি (অসম), ২৮ জুন (হি.স.) : ধেমাজি জেলার বুক চিরে প্রবাহিত কেমি নদীর প্রবল বন্যার স্রোতে কেমি-অয়ন সংযোকারী প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি লোহার সেতু ভেসে গেছে। এতে কেমি-পুরনো জেলম এলাকা এবং জোনাই সদরের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হঠাৎ নদীর জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রায় এক বছর আগে নির্মিত সেতুটি ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে। প্রতিবেশী অরুণাচল প্রদেশ থেকে নেমে আসা অতিরিক্ত জলের জন্য পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে।

জানা গেছে, সকাল প্রায় ১১টা থেকে নদীতে জলের স্তর বাড়তে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নদীর জল উপচে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই লোহার সেতুটি প্রবল স্রোতে ভেসে যায়।

সেতুটি ভেসে যাওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে। স্থানীয়রা জানান, কেমি এলাকার ছাত্রছাত্রীরা নদী পার হয়ে স্কুলে যায়। সামনে পরীক্ষা, আগামী কয়েক দিন নদীর জলস্তর যদি বেশি থাকে, সেই আশঙ্কায় ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এছাড়া চাষাবাদের মরশুমে কৃষিকাজও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদী পার হয়ে যাঁরা প্রতিদিন কৃষিজমিতে যাতায়াত করেন, সেতু ভেঙে যাওয়ায় তাঁদের বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হবে। বিকল্প ব্যবস্থা বা নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এই দুর্ভোগ তাঁদের পোহাতে হবে বলে খেদ প্রকাশ করছেন স্থানীয় মানুষজন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande