
চণ্ডীগড়, ২৮ জুন (হি.স.): শ্রী অকাল তখতের প্রতিটি নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। রবিবার অমৃতসরে এএপি-র জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, শ্রী অকাল তখতের তলবে পঞ্জাব বিধানসভার স্পিকার-সহ রাজ্যের সব মন্ত্রী ও বিধায়ক সোমবার সেখানে উপস্থিত হয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবেন। একইসঙ্গে তাঁর মুখোশ পরে তৈরি করা ভুয়ো ভিডিও-সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যও শ্রী অকাল তখতের কাছে জমা দেওয়া হবে।
ভগবন্ত মান বলেন, শ্রী অকাল তখত সাহিব শিখ সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সেখান থেকে জারি হওয়া প্রতিটি নির্দেশ আমাদের কাছে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণযোগ্য এবং তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের সব মন্ত্রী, বিধায়ক এবং বিধানসভার স্পিকার সোমবার শ্রী অকাল তখতের সামনে হাজির হয়ে বিনম্র শিখ হিসেবে সরকারের অবস্থান তুলে ধরবেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, আমাকে যখন আগে শ্রী অকাল তখতে ডাকা হয়েছিল, তখন আমি ভারতের রাষ্ট্রপতির একটি অনুষ্ঠানও ছেড়ে সেখানে গিয়েছিলাম।
বিরোধীদের আক্রমণ করে ভগবন্ত মান বলেন, বিজেপি, কংগ্রেস এবং অকালি দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। রাজনীতি ও ধর্মকে কখনও একসঙ্গে মেশানো উচিত নয়। আমি মানুষের কর্মসংস্থান, জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছি।
তিনি জানান, খুব শীঘ্রই জাঠেদার সাহিবের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ভুয়ো ভিডিও ব্যবহারের বিষয়টি জানানো হবে। শিখ পন্থে সঙ্গতই সর্বোচ্চ। প্রতিটি সিদ্ধান্ত সঙ্গতের ইচ্ছা অনুযায়ী নেওয়া হবে।
মহারাষ্ট্র সরকার 'নান্দেড় শিখ গুরুদ্বারা সচখণ্ড শ্রী হজুর আবচলনগর সাহিব আইন, ১৯৫৬' বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ভগবন্ত মান বলেন, মহারাষ্ট্র সরকারের শিখ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যাতে শিখদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে। রাজনীতি ও ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা বিষয় এবং কোনও অবস্থাতেই এ দুটিকে এক করা উচিত নয়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য