বড়সড় সোনা পাচারচক্রের হদিস, ৯ কেজি সোনা ও ৪২ কেজি রুপো উদ্ধার; গ্রেফতার ৮
নয়াদিল্লি, ১ জুলাই (হি.স.) : দেশজুড়ে সোনা পাচারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল রাজস্ব গোয়েন্দা অধিদফতর (ডিআরআই)। দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা ও বেঙ্গালুরুতে অভিযান চালিয়ে একটি আন্তঃরাজ্য সোনা পাচার চক্রের হদিস মিলেছে। এই অভিযানে বিদেশি উৎসের প্রায় ৯
বড়সড় সোনা পাচারচক্রের হদিস, ৯ কেজি সোনা ও ৪২ কেজি রুপো উদ্ধার; গ্রেফতার ৮


নয়াদিল্লি, ১ জুলাই (হি.স.) : দেশজুড়ে সোনা পাচারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল রাজস্ব গোয়েন্দা অধিদফতর (ডিআরআই)। দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা ও বেঙ্গালুরুতে অভিযান চালিয়ে একটি আন্তঃরাজ্য সোনা পাচার চক্রের হদিস মিলেছে। এই অভিযানে বিদেশি উৎসের প্রায় ৯ কেজি সোনা, ৪২ কেজি রুপো, ৭০০ গ্রাম সোনার গয়না, ৮ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এবং ২৬ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা ভারতীয় মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার ডিআরআই জানিয়েছে, পাচারকারীরা উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে ট্রেনে করে দিল্লিতে সোনা নিয়ে আসত। দিল্লির একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবৈধভাবে সোনা গলানোর কারখানাও চালানো হচ্ছিল।

গত ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের নিউ কোচবিহার রেলস্টেশন এবং বিহারের মানসি জংশনে অভিযান চালিয়ে দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২ কেজি সোনা উদ্ধার হয়। একই দিনে দিল্লিতে আরও দু'জনকে ১.২ কেজি সোনা–সহ আটক করা হয়। এই গ্রেফতারের সূত্র ধরেই দিল্লির অবৈধ সোনা গলানোর কারখানার সন্ধান মেলে।

একই দিনে মিজোরামের সাইরাং থেকে কলকাতাগামী এক মহিলা পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কোমরে বিশেষ বেল্টের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ২০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়, যার মোট ওজন ৩.৩ কেজি।

চেন্নাইয়ে দেশীয় বিমান মালবাহী পরিষেবার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা পাচারের একটি বড় চক্রেরও পর্দাফাঁস করেছে ডিআরআই। সেখান থেকে ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার এবং ৩৫ লক্ষ থাই বাহাত উদ্ধার হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই বিদেশি মুদ্রা বিদেশে পাচার করে সোনা ও রুপো চোরাচালানের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে দুবাই থেকে ফেরা এক যাত্রীর কাছ থেকে ১.৮ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪২ কেজি রুপো, ৭০০ গ্রাম সোনার গয়না এবং ২৬ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার হয়।

ডিআরআই জানিয়েছে, এই অভিযান থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে বিদেশি মুদ্রার অবৈধ লেনদেন এবং বিদেশে পাচারের সঙ্গে সোনা-রুপো চোরাচালানের সরাসরি যোগ রয়েছে। ধৃত আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande