সতর্কতা সীমার কাছাকাছি গঙ্গার জল, ডুবে গেল পাঁচাল ঘাটের একাংশ
ফররুখাবাদ, ২৬ জুলাই (হি.স.): নরোরা বাঁধ থেকে প্রতিদিন জল ছাড়ার জেরে উত্তর প্রদেশের ফররুখাবাদ জেলায় গঙ্গার জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। রবিবার সতর্কতা সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায় গঙ্গার জল। ইতিমধ্যেই পাঁচাল ঘাটের স্নানঘাটগুলির বড় অংশ জলের তলায় চলে গিয়েছে। প
সতর্কতা সীমার কাছাকাছি গঙ্গার জল, ডুবে গেল পাঁচাল ঘাটের একাংশ


ফররুখাবাদ, ২৬ জুলাই (হি.স.): নরোরা বাঁধ থেকে প্রতিদিন জল ছাড়ার জেরে উত্তর প্রদেশের ফররুখাবাদ জেলায় গঙ্গার জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। রবিবার সতর্কতা সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায় গঙ্গার জল। ইতিমধ্যেই পাঁচাল ঘাটের স্নানঘাটগুলির বড় অংশ জলের তলায় চলে গিয়েছে।

পাঁচাল ঘাটে রবিবার গঙ্গার জলস্তর ১৩৬.২০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে সতর্কতা সীমা ১৩৬.৬০ মিটার এবং বিপদসীমা ১৩৭.১০ মিটার।

জানা গেছে , গঙ্গার জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। সতর্কতা সীমা অতিক্রম করলেই রাজেপুর ব্লক এবং অমৃতপুর তহসিল এলাকায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠেছে। ভরখা ইন্টার কলেজের অধ্যক্ষ প্রেম পাল সিং বলেন, বর্ষার সময় গঙ্গা ও রামগঙ্গা গঙ্গাপারের মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে ওঠে। জলস্তর সতর্কতা সীমা পেরোলেই মঞ্জা কি মঢ়াইয়া, কোলা সোতা-সহ প্রায় ২০০টি গ্রামের মানুষ সমস্যায় পড়েন।

কোলা সোতার প্রধান রাকেশ সিং বলেন, গঙ্গার জলস্তর সতর্কতা সীমার কাছাকাছি পৌঁছলেই এলাকার মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ে।

অপর জেলাশাসক অরুণ কুমার জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নরোরা বাঁধে জল উপচে পড়ায় রবিবার গঙ্গায় ৬৭,৪১৯ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এছাড়া খো ব্যারাজ থেকে রামগঙ্গায় ৫০, হরেলি থেকে ১৪০ এবং রামনগর ব্যারাজ থেকে ৫১২ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। রামগঙ্গার জলস্তরও ১৩৪ মিটারে পৌঁছেছে। বর্ষার সময় অর্জুনপুরের কাছে গঙ্গা ও রামগঙ্গার জল একসঙ্গে মিশে যায়।

জেলা প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যারা সকাল ও সন্ধ্যায় গঙ্গা এবং রামগঙ্গার জলস্তরের পরিস্থিতি প্রশাসনকে জানাচ্ছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande