
পূর্ব মেদিনীপুর, ২৬ জুলাই (হি.স.): গোটা দেশেরই প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রয়েছে, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার লোকসভায় ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ করতে চলেছে কেন্দ্র। এ বিষয়ে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী সর্বদা এসব বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ বা কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন। আন্দোলনকারীদের তাঁর ওপর আস্থা রয়েছে এবং তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সমগ্র দেশেরই তাঁর ওপর আস্থা আছে। তিনি কেবল বিলই আনেননি, বরং দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির জন্য ‘ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট’ চালুর বিষয়েও কথা বলেছেন। বিলের বিস্তারিত বিষয়গুলো আমরা পরে জানতে পারব। বিলটি পেশ করার আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীরই এর চেয়ে বেশি কিছু বলা উচিত নয়।
রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরে 'সিজেপি-বাম' ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এটি কোনও বামপন্থী বিক্ষোভ ছিল না। এটি ছিল স্বঘোষিত 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র কর্মসূচি। পরে বামপন্থীরা এতে যোগ দেয়। বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, নিট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমি নিজে বিষয়টি দেখেছি। তারা নিজেরাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছে, সাংবাদিকদের ওপর হওয়া এই বর্বরোচিত হামলার দায় তারা নিচ্ছে না। কলকাতা পুলিশের সিপি আমাকে সব তথ্য পাঠিয়েছেন; আমি নিজে তা দেখেছি। এর পেছনে হয়তো বিদেশি শক্তির মদত থাকতে পারে। তদন্তকারীরাই এ বিষয়ে বলতে পারবেন। যেভাবে সংবাদকর্মীদের হত্যা ও রক্তপাত ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সব মামলাই সাংবাদিকরা দায়ের করেছেন। পুলিশও নিজে থেকে দু-একটি মামলা করেছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ওই সাংবাদিক এফআইআর দায়ের করেছেন এবং ডাক্তারি পরীক্ষাও করিয়েছেন। ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র নিট আন্দোলনের সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। এরা ছাত্র নয়। এরা পুরোপুরি জামাতি ও মৌলবাদী; এরা ভারতকে দুর্বল ও অস্থিতিশীল করতে চায়।
কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আজ সেই দিন যেদিন আমরা ভারত মায়ের সুরক্ষায় কার্গিল যুদ্ধে শহীদ হওয়া বীরদের স্মরণ করছি। আমি সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। এখানেও, 'মন কি বাত' অনুষ্ঠান শুরুর আগে আমি দাঁড়িয়ে এখানে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে স্যালুট জানিয়েছি। আমি তাঁদের বিদেহী আত্মার অমরত্ব কামনা করি। এই বিশেষ দিনে সমগ্র দেশ শহীদদের স্মরণ করছে এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে ভারতকে রক্ষা ও বিদেশি শক্তিকে পরাজিত করার সেই ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে গর্বের সঙ্গে কার্গিল বিজয় দিবস উদযাপন করছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ