বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে ‘সিনির’ বিশেষ উদ্যোগ, পূর্ব কলকাতা জলাভূমি রক্ষায় সামনে তরুণ প্রজন্ম
কলকাতা, ২৮ জুলাই (হি. স.) : বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয় করে তুলতে এক নতুন উদ্যোগে শামিল হলো ''চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট'' (সিনি)। মঙ্গলবার উইপ্রো ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কলকাতা শহরে সূচনা করা হয় একট
জলাভূমির পরিবেশগত


কলকাতা, ২৮ জুলাই (হি. স.) : বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয় করে তুলতে এক নতুন উদ্যোগে শামিল হলো 'চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট' (সিনি)। মঙ্গলবার উইপ্রো ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কলকাতা শহরে সূচনা করা হয় একটি বিশেষ প্রকল্পের, যার নাম দেওয়া হয়েছে— ‘গ্রিন ক্যাটালিস্ট: যুব নেতৃত্বে জলাভূমি সংরক্ষণ ও কলকাতার নগর পরিবেশগত স্থিতিস্থাপকতা’। মূলত পূর্ব কলকাতা জলাভূমি ও ধাপা অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় তরুণ সমাজকে যুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের প্রবীণ কর্মীবৃন্দ বিষয়ক পরিচালন আধিকারিক (সিনিয়র পার্সোনেল ম্যানেজার) সমনজিৎ সেনগুপ্ত, পশ্চিমবঙ্গ জীববৈচিত্র্য পর্ষদের ড. এস. এন. ঘোষ ও ড. অনির্বাণ রায়, সমগ্র শিক্ষা মিশনের অতিরিক্ত জেলা প্রকল্প আধিকারিক বিষ্ণুপদ সরকার, উইপ্রো ফাউন্ডেশনের নগর পরিবেশ বিদ্যা (আরবান ইকোলজি) বিষয়ক উপদেষ্টা শ্রেয়সী ভট্টাচার্যসহ কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিশু ও যুব প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে ‘মিশন লাইফ’-এর আওতায় 'পরিবেশ কেন্দ্র' (ইকো-ক্লাব) এবং পরিবেশ শিক্ষার গুরুত্ব বিশদে তুলে ধরা হয়। শ্রেয়সী ভট্টাচার্য জানান, ধাপা বর্জ্য ফেলার স্থান (ল্যান্ডফিল) থেকে সংগৃহীত একটি ভাঙা মার্বেলের টুকরোয় এক শিশুর আঁকা ছবি আজও তাঁর কাছে পরিবেশ সচেতনতার এক উজ্জ্বল প্রতীক। সমনজিৎ সেনগুপ্ত দৈনন্দিন জীবনে পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেন। অন্যদিকে, ড. অনির্বাণ রায় জলাভূমির পরিবেশগত, সাংস্কৃতিক ও ঔষধি গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তা সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শিশুদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার আদান-প্রদানের পাশাপাশি সিনি, পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং উইপ্রো ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও পরিবেশ রক্ষায় শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande