চাঁপদানি পুরবোর্ড ভঙ্গ, চেয়ারম্যান সহ ১৯ তৃণমূল কাউন্সিলরের ইস্তফা
হুগলি, ৯ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর পুরসভাগুলিতে জারি থাকা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে বৃহস্পতিবার হুগলি জেলার চাঁপদানি পুরসভার বোর্ডও কার্যত ভেঙে গেল। চেয়ারম্যান সুরেশ মিশ্র সহ তৃণমূল কংগ্রেসের ১৯ জন কাউন্সিলর নিজেদের পদ থেকে
চাঁপদানি পুরবোর্ড ভঙ্গ, চেয়ারম্যান সহ ১৯ তৃণমূল কাউন্সিলরের ইস্তফা


হুগলি, ৯ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর পুরসভাগুলিতে জারি থাকা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে বৃহস্পতিবার হুগলি জেলার চাঁপদানি পুরসভার বোর্ডও কার্যত ভেঙে গেল। চেয়ারম্যান সুরেশ মিশ্র সহ তৃণমূল কংগ্রেসের ১৯ জন কাউন্সিলর নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, একদিন আগে চাঁপদানি পুরসভার তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান সুরেশ মিশ্র সহ বাকি ১৭ জন তৃণমূল কাউন্সিলরও পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিকের কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র জমা দেন। জানা গেছে, কার্যনির্বাহী আধিকারিক এই ইস্তফাপত্রগুলি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য চন্দননগরের এসডিও -র কাছে পাঠাবেন।

সূত্র মারফত জানা গেছে, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তারক সিং এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সেলিম কুরেশি এলাকার বাইরে থাকার কারণে আপাতত ইস্তফা দিতে পারেননি।

অন্যদিকে, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর দারোগা রাজভর জানিয়েছেন, তিনি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে অধিকাংশ কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় চাঁপদানি পুরসভার বোর্ড কার্যত ভেঙে পড়েছে।

উল্লেখ্য, ২২টি ওয়ার্ডের চাঁপদানি পুরসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জন এবং কংগ্রেসের একজন কাউন্সিলর ছিলেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর লাগাতার একাধিক পুরসভায় প্রশাসনিক সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন পুরসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের পদত্যাগের কারণে বেশ কয়েকটি বোর্ড ইতিমধ্যেই ভেঙে গেছে। কিছু জায়গায় প্রশাসনিক কাজ সুচারুভাবে চালানোর জন্য প্রশাসকও নিয়োগ করা হয়েছে।

এই ধরণের পরিস্থিতি প্রথম দেখা গিয়েছিল হুগলি জেলার চন্দননগর পুরনিগমে। এরপর চুঁচুড়া, বাঁশবেড়িয়া, ভদ্রেশ্বর, ডানকুনি এবং তারকেশ্বর পুরসভার বোর্ডও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে যায়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande