
শিমলা ও চন্ডীগড়, ১৯ আগস্ট (হি.স.): হিমাচল প্রদেশের উঁচু এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে চলা অবিরাম বৃষ্টির ফলে নেমে আসা জল পঞ্জাব, হরিয়ানা ও চণ্ডীগড়ের সমতল ভূমিতে প্রবেশ করেছে, যার ফলে এই দুই প্রতিবেশী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনেক এলাকায় বন্যা-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
চণ্ডীগড়-মোহালি-পঞ্চকুলা—এই তিন শহরের সমন্বিত এলাকায় ভারী বৃষ্টি এবং পাহাড় থেকে নেমে আসা জলের কারণে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে, যা নিত্যযাত্রীদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করেছে। পঞ্জাবের আনন্দপুর সাহিবের বিভিন্ন অংশে জলস্তর ক্রমাগত বাড়ছে। তখত শ্রী কেশগড় সাহিবের উল্টো দিকের রাস্তা এবং আশেপাশের এলাকা জলে তলিয়ে গেছে।
পঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজত সিং বেইনস আনন্দপুর সাহিবের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন; তিনি সকলকে নদীর তীর থেকে দূরে থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গুরুদাসপুরে রাভি নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় মাকোরা পাত্তান গ্রামে যাওয়ার নৌকা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে প্রায় ছয়টি গ্রামের মানুষ যাতায়াতের সমস্যায় পড়েছেন। গ্রামবাসীরা তাঁদের জরুরি কাজ সারার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়া গত রাতে পাঠানকোট এলাকাতেও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ