নিউ হারাঙ্গাজাওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনের নীচে ভূগর্ভস্থ জলের উৎসের সন্ধানে শুরু ড্রিলিং; লাইন বসে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ, জল নিষ্কাশনের পাশাপাশি চলছে মাটির গভীরে অনুসন্ধান
হাফলং (অসম), ২৩ আগস্ট (হি স): নিউ হারাঙ্গাজাও রেল স্টেশনের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনের নীচে জমে থাকা ও প্রবাহিত ভূগর্ভস্থ জল নিষ্কাশনের পাশাপাশি জলের উৎসের সন্ধানে শুরু হয়েছে ড্রিলিংয়ের কাজ। রেললাইনের ১ ও ২ নম্বর লাইনের নীচে, হারাঙ্গাজাও স্টেশন সংলগ
Rail


হাফলং (অসম), ২৩ আগস্ট (হি স): নিউ হারাঙ্গাজাও রেল স্টেশনের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনের নীচে জমে থাকা ও প্রবাহিত ভূগর্ভস্থ জল নিষ্কাশনের পাশাপাশি জলের উৎসের সন্ধানে শুরু হয়েছে ড্রিলিংয়ের কাজ। রেললাইনের ১ ও ২ নম্বর লাইনের নীচে, হারাঙ্গাজাও স্টেশন সংলগ্ন ১১৮/১–৩ কিলোমিটার অংশে এই কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটির নীচ থেকে জল বেরিয়ে আসায় রেললাইনের স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিউ হারাঙ্গাজাওয়ের কাছে ১ ও ২ নম্বর লাইনে মাটি বসে যাওয়ার পর থেকেই ভূগর্ভস্থ জলের প্রবাহ ও জমে থাকা জল রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অন্যতম বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে। রেললাইনের নীচের মাটির স্তর থেকে জল বেরিয়ে আসায় সংশ্লিষ্ট অংশের মাটির গঠন ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এর ফলে মেরামতির কাজও আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের নীচে জমে থাকা ও প্রবাহিত জল বের করে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় মাটির আরও গভীরে পৌঁছতে ড্রিলিং করা হচ্ছে। এই ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে মাটির কোন স্তর থেকে জল বেরিয়ে আসছে এবং তার প্রকৃত উৎস কোথায়, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ড্রিল করা অংশ দিয়ে মাটির নীচের জল উপরে তুলে এনে তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জলের প্রবাহের মাত্রা, পরিমাণ এবং সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। ভূগর্ভস্থ জলের গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মাটির স্থিতিশীলতা এবং রেললাইনের উপর তার প্রভাব নির্ণয় করা সহজ হবে বলে মনে করছেন রেল ইঞ্জিনিয়াররা। এদিকে নিউ হারাঙ্গাজাও স্টেশনের কাছে ১ ও ২ নম্বর লাইনে মাটি বসে যাওয়ার পর থেকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের পুনরুদ্ধার ও মেরামতির কাজ অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে লামডিং–বদরপুর হিল সেকশের হারাঙ্গাজাও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ৩ নম্বর লাইন দিয়ে ট্রেন পরিষেবা পরিচালনা করা হচ্ছে। যাত্রী নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ওই অংশে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মেরামতি, জল নিষ্কাশন এবং ভূগর্ভস্থ জলের উৎস অনুসন্ধানের কাজের উপর লাগাতার নজরদারি চালানো হচ্ছে। আপাতত রেলের মূল লক্ষ্য, প্রথমে ভূগর্ভস্থ জলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে মাটির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তারপর নিরাপত্তার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে ১ ও ২ নম্বর লাইনে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু করা।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande