
বিশ্রামগঞ্জ (ত্রিপুরা), ২৩ আগস্ট (হি.স.) : এক রাতেই পরপর চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত ননজলা এলাকায়। শনিবার গভীর রাতে একের পর এক বাড়িতে চোরের দল হানা দেওয়ার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। একই রাতে পাশাপাশি চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে ননজলা এলাকায় চোরেরা একের পর এক চারটি বাড়িতে প্রবেশ করে চুরি করে। বাড়িগুলিতে ঢুকে চোরেরা বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তবে ঠিক কী কী সামগ্রী এবং কত পরিমাণ নগদ অর্থ চুরি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পক্ষ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রীর বিস্তারিত হিসাব করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
রবিবার সকালে বাড়ির সদস্যরা বিষয়টি লক্ষ্য করার পর ঘটনাটি জানাজানি হয়। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এক রাতেই পরপর চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনা সামনে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলিতে ভিড় জমান প্রতিবেশীরাও।
ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ পৌঁছায়। পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি পরিদর্শন করে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। চুরির ঘটনায় কোনও সূত্র পাওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই রাতে চারটি বাড়িতে চুরি হওয়ায় ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাতের সময় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একসঙ্গে চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় এলাকায় চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে ননজলা এলাকায় রাতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে চুরি যাওয়া সামগ্রী ও অর্থের প্রকৃত পরিমাণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ