
দুর্গাপুর, ২৬ আগস্ট (হি. স.): কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে কালোবাজারি। দোকানে ২৬৬ টাকার রাসায়নিক সার সাড়ে চার'শ টাকায়! এমনই চড়া দামে বিকোচ্ছিল রাসায়নকি সার ইউরিয়া। অভিযোগ পেয়েই হানা দিল পুলিশ। দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল পুলিশ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে কাঁকসার বসুধা এলাকায়।
ঘটনায় জানা গেছে, অজয় নদ তীরবর্তী বসুধা। কৃষি প্রধান এলাকা। সারা বছরই চাষ হয়। সম্প্রতি আমন ধান চাষের মরশুম। এই ধান চাষে ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। চাহিদা অনুপাতে জোগান খুবই কম। অভিযোগ, কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে কালোবাজারে ইউরিয়া দেদার বিক্রি হচ্ছে। অভিযোগ ওঠে বসুধা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি সারের দোকানে। অভিযোগ পেয়ে ওই দোকানে হানা দেয় কাঁকসা থানার পুলিশ। এবং দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। স্থানীয় বিজেপিকর্মী বাউলচাঁদ সাহা বলেন, ইউরিয়া সারের বস্তা পিছু দামের প্রিন্ট আছে ২৬৬ টাকা ৫০ পয়সা। অথচ খোলা মার্কেট দাম নিচ্ছে সাড়ে চার'শ টাকা। পাল্লা দিয়ে ডিএপির দামও আকাশছোঁয়া নিচ্ছে দোকানগুলি। চাষের সময় অস্বাভাবিক দাম তার কৃত্রিম সঙ্কটের জেরে বিপাকে পড়েছে চাষীরা। তাই অভিযোগ জানানো হয়েছিল। জানা গেছে, পানাগড় কাঁকসা এলাকায় বেশ কিছু দোকানে বস্তা পিছু ডিএপির প্রিন্ট আছে ১৩৫০ টাকা। অথচ বাজারে বিকোচ্ছে ১৮০০-২০০০ টাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে দোকান মালিক রাকেশ ঘোষ বলেন, বৈধ দামে সার কিনে বিক্রি করে মুনাফা হয় না। উল্টে পকেট থেকে খরচা গুনতে হয়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা