শারদোৎসবের আগেই পাহাড়ে উৎসবের আবহ ১১৫ বছরের জগন্নাথ মন্দিরে পাঁচ দিন ধরে গণেশ বন্দনা, থাকছে মহাপ্রসাদ ও নানা প্রতিযোগিতা
হাফলং (অসম), ১৫ সেপ্টেম্বর (হি স): শারদীয় দুর্গোৎসবের আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। তার আগেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ে। সোমবার গণেশ চতুর্থীর সূচনার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবের রঙে সেজে উঠেছে পাহাড়ি শহর হাফলং। শহরের প্রাচীন ও ঐ
Gonopati


হাফলং (অসম), ১৫ সেপ্টেম্বর (হি স): শারদীয় দুর্গোৎসবের আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। তার আগেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ে। সোমবার গণেশ চতুর্থীর সূচনার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবের রঙে সেজে উঠেছে পাহাড়ি শহর হাফলং। শহরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ১১৫ বছরের হাফলং জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ আয়োজন। গণেশ বন্দনায় মেতে উঠেছেন ভক্ত থেকে শুরু করে শহরের সাধারণ মানুষ।

হাফলং শহরের সিদ্ধি বিনায়ক পূজা কমিটির উদ্যোগে গত ১১ বছর ধরে গণেশ চতুর্থীর আয়োজন হয়ে আসছে। আয়োজক কমিটির সদস্যদের কথায়, বছরের পর বছর ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে শহরের সাধারণ মানুষ যে ভাবে এই পুজোয় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তা-ই এই আয়োজনকে আরও বড় করে তুলেছে। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জগন্নাথ মন্দির চত্বরে তৈরি হয়েছে উৎসবের পরিবেশ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন ধরে হাফলং জগন্নাথ মন্দিরে চলবে গণেশ বন্দনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতিদিনই পুজো ও আরতির পাশাপাশি ভক্তদের জন্য থাকবে মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা। পুজোকে শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মিলনক্ষেত্র হিসাবেও গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাঁচ দিনের এই অনুষ্ঠানে থাকছে একাধিক প্রতিযোগিতাও। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, আরতি প্রতিযোগিতা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং ধামাইল নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ফলে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষও এই উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রতিযোগিতাগুলিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিমধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

আয়োজক কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, হাফলংয়ের মতো পাহাড়ি শহরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণেই উৎসবগুলি প্রাণ পায়। গণেশ চতুর্থীও তার ব্যতিক্রম নয়। পুজোকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ আরও দৃঢ় করাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।

শারদীয় দুর্গোৎসবের আগে গণেশ চতুর্থীর এই আয়োজন হাফলংবাসীর কাছে যেন উৎসবের আগাম বার্তা। আগামী পাঁচ দিন প্রাচীন জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের সমাগমে পাহাড়ি শহর আরও সরগরম হয়ে উঠবে বলেই আশা আয়োজকদের।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande