
জলপাইগুড়ি, ২৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.) :
জলপাইগুড়ির আনন্দ চন্দ্র কলেজে সোমবার ক্লাস চলাকালীন এক ছাত্র গায়ে কেরোসিন ঢেলে প্রতিবাদ জানানোর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রথম সেমিস্টারের ইতিহাস ক্লাসে আচমকাই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্লাস চলাকালীন হঠাৎই ওই ছাত্র নিজের ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে নেন। বিষয়টি নজরে আসতেই ক্লাসে উপস্থিত অধ্যাপক তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি সামাল দেন এবং বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে জানান। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান অধ্যক্ষ ডঃ দেবাশীষ দাস। খবর দেওয়া হয় কোতোয়ালি থানায়, যার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আক্রান্ত ওই ছাত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওপর এবং অন্যান্য সাধারণ পড়ুয়াদের ওপর শারীরিক অত্যাচার ও দুর্ব্যবহার চালানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, কলেজে প্রায়শই বহিরাগতরা ঢুকে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ওপর মারধর ও চরম অশালীন আচরণ করে।
এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ওই ছাত্রের আরও অভিযোগ, সোমবারও তাঁর ওপর পরিকল্পিত হামলার খবর ছিল। সেই আতঙ্ক থেকেই বাধ্য হয়ে তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।
নাম না করে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর বিরুদ্ধে এই মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন ওই ছাত্র। যদিও এবিভিপির পক্ষ থেকে তাঁদের ওপর ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করা হয়েছে। পুরো ঘটনার জল গড়িয়েছে থানা পর্যন্ত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি