চটকল শ্রমিকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন গড়ার পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের, জানাল শ্রম দফতর
​কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.) :রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ও তাঁদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন গড়ে তোলার এক বিশেষ ও অভিনব পরিকল্পনা গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। সোমবার নব মহাকরণে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে
নব মহাকরণে শ্রম মন্ত্রীর বৈঠক ফলপ্রসূ বলে দাবি


​কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.) :রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ও তাঁদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন গড়ে তোলার এক বিশেষ ও অভিনব পরিকল্পনা গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। সোমবার নব মহাকরণে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রজেক্ট) প্রথম পর্যায়ে উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলায় এই প্রকল্প চালু হতে চলেছে।​পাটশিল্প অধ্যুষিত এলাকার হাজার হাজার চটকল শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও নিরাপদ বাসস্থান দেওয়াই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির যোগ্য চটকল শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-আর্বান ২.০’ -এর ‘অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ইন পার্টনারশিপ’ উপাদানটি বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য শ্রম দপ্তর। বহু শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ শ্রমিক ব্যারাকে বসবাস করছেন, তাঁদের উন্নত ও নিরাপদ নাগরিক পরিষেবাযুক্ত বাসস্থানের সুযোগ করে দিতে এই পদক্ষেপ।​প্রকল্পটির সফল রূপায়ণে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় পুরসভা, ট্রেড ইউনিয়ন এবং চটকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ সমন্বয় রক্ষা করে প্রকৃত যোগ্য উপভোক্তা চিহ্নিতকরণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের প্রধান বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব সামলাবে সংশ্লিষ্ট পুরসভা ও নগর স্থানীয় সংস্থাগুলি। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সমস্ত চটকল শ্রমিকের বার্ষিক পারিবারিক আয় সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং দেশের কোথাও কোনো পাকা বাড়ি নেই, তাঁরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। প্রস্তাবিত প্রতিটি ৩০ থেকে ৪৫ বর্গমিটার কার্পেট এলাকার বাসস্থানে দুটি ঘর, একটি রান্নাঘর এবং একটি শৌচাগার থাকবে।​ইতোমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া, টিটাগড় ও কামারহাটি পুরসভাকে উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে, হুগলি জেলাতেও আবেদনপত্র গ্রহণের জন্য বিশেষ শিবির আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। শ্রম দফতর সূত্রে খবর, প্রকল্পের সূচনাতেই প্রায় ৮,০০০ চটকল শ্রমিক এই আবাসন সুবিধা পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande