স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ঝাড়গ্রামে গ্রেফতার ২ সহপাঠী, পুলিশ হেফাজতে ধৃতরা
ঝাড়গ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করল ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম ইস্তিয়াক আহমেদ ও শেখ রাকিব। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দু’জনেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং তারা নির্যাতিতা না
স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ঝাড়গ্রামে গ্রেফতার ২ সহপাঠী, পুলিশ হেফাজতে ধৃতরা


ঝাড়গ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করল ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম ইস্তিয়াক আহমেদ ও শেখ রাকিব। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দু’জনেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং তারা নির্যাতিতা নাবালিকার একই স্কুলে পড়াশোনা করে। এই জঘন্য ঘটনার সঙ্গে আরও তিন যুবক জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। পলাতক ওই তিন অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে ওই নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় ইস্তিয়াক ও রাকিব। অভিযোগ, তাকে ফুসলিয়ে একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে দু’জনে মিলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে আরও তিন যুবক সেখানে পৌঁছে এই অপরাধে যুক্ত হয় এবং পাঁচ জন মিলে পর্যায়ক্রমে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে। এমনকি এই ঘটনার একটি ভিডিও রেকর্ড করা হয় বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

নৃশংস এই ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাড়ি ফিরে চরম আতঙ্কে কাউকে কিছু জানায়নি ওই নাবালিকা। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও পরিবারের সদস্যদের কাছে সে পড়ে গিয়ে চোট পাওয়ার কথা জানায়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে এবং অসুস্থ বোধ করলে শেষ পর্যন্ত পরিবারের কাছে পুরো ভয়াবহ ঘটনার বিবরণ দেয় সে। ঘটনা শোনার পর রবিবার সন্ধ্যায় জামবনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা।

অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে ইস্তিয়াক ও রাকিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতিমধ্যে নির্যাতিতা নাবালিকার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তার গোপন জবানবন্দি (নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ গণধর্ষণ এবং পকসো আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে।

সোমবার ধৃত দুই নাবালক অভিযুক্তকে পকসো বিশেষ আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। মামলার বাকি তিন অভিযুক্তের খোঁজে জোরদার তদন্ত চালানো হচ্ছে। ঝাড়গ্রামের জেলা পুলিশ সুপার মানব সিংলা জানিয়েছেন, “রবিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরপরই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।”

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande