গান্ধী জয়ন্তীতে কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতন পদযাত্রা, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা দেবে সর্ব সেবা সঙ্ঘ
কলকাতা, ৩০ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : বিদ্বেষ ও ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে এক বিশেষ পদযাত্রার সূচনা হতে চলেছে। গান্ধীবাদী সংগঠন ‘সর্ব সেবা সঙ্ঘ’ এবং একাধিক গণতান্ত্রিক নাগরিক সংগ
প্রেস ক্লাব কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা


কলকাতা, ৩০ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : বিদ্বেষ ও ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে এক বিশেষ পদযাত্রার সূচনা হতে চলেছে। গান্ধীবাদী সংগঠন ‘সর্ব সেবা সঙ্ঘ’ এবং একাধিক গণতান্ত্রিক নাগরিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই পদযাত্রা আগামী ১৬ অক্টোবর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনে গিয়ে শেষ হবে। বুধবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্ব সেবা সঙ্ঘের (অখিল ভারত সর্বোদয় মণ্ডল) সভাপতি চন্দন পাল এই কর্মসূচির বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে চন্দন পাল জানান, এটি তাঁদের আয়োজিত তৃতীয় সর্বভারতীয় পদযাত্রা। দেশের প্রায় ১৮টি রাজ্য থেকে বিভিন্ন প্রতিনিধিরা এই তাৎপর্যপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, বর্তমানে দেশজুড়ে ঘৃণার রাজনীতি চড়মে পৌঁছেছে, যা কোনো স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য কাম্য হতে পারে না। হিংসা, অন্যায় ও অশান্তির আবহ দূর করতে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই ২১ সেপ্টেম্বর পালিত আন্তর্জাতিক ‘শান্তি দিবস’-এর বার্তা স্মরণে রেখে মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিবসে বেলেঘাটার গান্ধী ভবন থেকে পদযাত্রাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে।

এদিনের সভায় প্রাথমিক বক্তব্য পেশ করেন চন্দন পাল।

পাশাপাশি অভীক সাহা, মানবেন্দ্র নাথ মণ্ডল, পাপড়ি সরকার, অরবিন্দ আঞ্জুম, অধ্যাপক মেরুনা মুর্মু এবং সজল রায় চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত থেকে নিজেদের মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, এর আগে সর্ব সেবা সঙ্ঘের পক্ষ থেকে একই উদ্দেশ্যে পটনা থেকে চম্পারণ এবং বেনারস থেকে দিল্লি পর্যন্ত দুটি ঐতিহাসিক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। এবার মহাত্মা গান্ধীর সত্য ও অহিংসার আদর্শকে মাথায় রেখে এবং কবিগুরুর বিশ্বজনীন ভাবধারাকে পাখির চোখ করে কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতন পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande